এই নতুন শিক্ষাক্রম দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বেশকিছু গুরুতপূর্ণ গুণগত পরিবর্তন
আনতে যাচ্ছে। এই পরিবর্তন সম্পর্কে সকল অংশীজনকে পরিপূর্ণ ও সঠিক ধারণা প্রদান করা
গুরুত্বপূর্ন। সকল পর্যায়ে একই ধারণা প্রদান করা না গেলে শিক্ষাক্রমের সঠিক ও সফল বাস্তবায়ন
অসম্ভব। কাজেই বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় শিক্ষাক্রম কাঠামো, শিক্ষাক্রমের ধারণার
ব্যাপক বিস্তরণের জন্য একটি যোগাযোগ ও বিস্তারণ কর্ম-কৌশল গ্রহণ করার জন্য প্রশিক্ষণের
প্রয়োজন। এই কর্ম পরিকল্পনার আওতায় সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, অভিভাবক,
শিক্ষক, শিক্ষা প্রশাসক, বিশেষজ্ঞ, প্রশিক্ষক, নীতি নির্ধারক পর্যায়ের ব্যক্তিদের
দায়িত্ব ও ভূমিকা পর্যালোচনা করে আলোচনা, সেমিনার, যোগাযোগ উপকরণ তৈরি, প্রশিক্ষণ,
কর্মশালা প্রভৃতি আয়োজন করা হবে ।
শিক্ষাক্রম বিস্তারণ একদিকে যেমন সরাসরি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও প্রচারের মাধ্যমে
বিস্তরণ ঘটানো হবে, সেই সঙ্গে আইসিটি ব্যবহার করে বিভিন্ন মিডিয়াতে অনলাইন ও অফলাইন
বিস্তরণের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।
শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে মূল ভূমিকা পালন করবেন শিক্ষক সমাজ। শিক্ষাক্রম
বিস্তরণে অফলাইন ও অনলাইন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকদের প্রস্তুত করা হবে।
প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রম মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের পূর্বেই সকল শিক্ষক ও
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট স্টাফের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা হবে।
এনসিটিবি প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম বিস্তরণের
জন্য মাস্টার ট্রেইনার পুল তৈরি করবে। পরবর্তী কালে ২০২৩ সাল থেকে দেশব্যাপী শিক্ষাক্রম
বাস্তবায়নের পূর্বেই স্ব স্ব অধিদপ্তর এ সকল স্তরের শিক্ষকদের শিক্ষাক্রম বিস্তরণ
প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করবেন।
এছাড়াও এনসিটিবি লার্নিং প্লাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষাক্রম বিষয়ক বিভিন্ন
বিষয়ভিত্তিক ও ইস্যুভিত্তিক অনলাইন কোর্স চালু করবেন শিক্ষাক্রম বিস্তরণকে সফল করার
জন্য।
শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও প্রচলনের পর অংশীজনদের প্রত্যাশা শিক্ষাক্রমের সফল
বাস্তবায়ন। শিক্ষাক্রমের সফল বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করে শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত
যোগ্যতা অর্জন। নতুন শিক্ষাক্রম ২০২২ সালে পাইলটিং করার পর ২০২৩ সাল থেকে ২০২৭ সালের
মধ্যে ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হবে ।
শিক্ষাক্রম রূপরেখার পরিমার্জন ও পরিবর্তনসমূহ বিবেচনায়
নিয়ে যথাযথভাবে শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করতে হলে শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ে তার যথাযথ
গ্রন্থণ, অনুধাবন, অনুশীলন, প্রতিফলন ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। তাই শিক্ষক প্রসশিক্ষণের
কোনো বিকল্প নেই। অন্যথায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরিমার্জন বা সংস্কার ব্যর্থ হয়ে যেতে
পারে। এ প্রেক্ষিতে শিখন পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নও
গুরুত্বপূর্ণ।
যে সকল পর্যায়ে উন্নয়ন বা সংস্কার অত্যাবশ্যক সেগুলো হলো :
শিক্ষাক্রম, বিষয় ও শিখন-শেখানো পদ্ধতির চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত দক্ষ,
পেশাদার, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক - শিক্ষাক্রমের সফল বাস্তবায়নের মূল চালিকা শক্তি
হলেন শিক্ষক। শ্রেণিকক্ষ বা এর বাইরে পরিকল্পিতভাবে যে শিখন-শেখানো কার্যক্রম পরিচালিত
হবে তার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা শিক্ষাক্রমের যোগ্যতাসমূহ অর্জন করবে। সুতরাং শিক্ষাক্রমের
সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন নতুন বিষয় ও শিখন-শেখানো পদ্ধতির চাহিদা অনুযায়ী
পর্যাপ্ত সংখ্যক দক্ষ, পেশাদার, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক । প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রম রূপরেখায়
শিখন ক্ষেত্র, যোগ্যতা ও তার বাস্তবায়ন কৌশলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা
হয়েছে।
ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষকের সংখ্যা, দায়িত্ব, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে তার প্রতিফলন
প্রয়োজন । বিদ্যমান শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এবং নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে চাহিদা
অনুযায়ী পেশাদার শিক্ষক নিয়োগ করে এ পরিবর্তন পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।
নতুন শিক্ষাক্রমের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও পরিমার্জনসহ শিক্ষায় প্রস্তাবিত
সংস্কারসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পর্যাপ্ত সংখ্যক
দক্ষ, পেশাদার এবং দায়িত্বশীল শিক্ষক প্রয়োজন। যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থায়
শিক্ষক হচ্ছেন মূল চালিকা শক্তি।
সুতরাং বিদ্যমান শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির
উন্নয়নসহ ভবিষ্যৎ শিক্ষকদের নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের জন্য যোগ্য করে গড়ে তুলতে
একটি শিক্ষক নিয়োগ ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। শিক্ষক
যেন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে দায়িত্বশীল, সৎ ও নির্মোহভাবে আত্মতৃপ্তি সহকারে তাঁর উপর অর্পিত
দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমের সফল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যেহেতু যোগ্যতাসম্পন্ন
শিক্ষকের বিকল্প নেই তাই শিক্ষাক্রম রূপরেখা অনুমোদনের অব্যবহিত পরেই যত দ্রুত সম্ভব
এ পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
শিক্ষক নিয়োগ ও উন্নয়ন পরিকল্পনাটি প্রণয়নে মূলত দুইটি দিক বিবেচনায়
নিতে হবে;
১. বিদ্যমান শিক্ষকদের নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের জন্য স্বল্প, মধ্য
ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলা
২. নতুন শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষক মানদণ্ড নির্ধারণ করে সে
অনুযায়ী নিয়োগ, পদায়ন ও দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ
শিক্ষক নিয়োগ ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ক্ষেত্রে যে প্রশ্নটির উত্তর
নিশ্চিত করা জরুরি, তা হলো-
২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশের নাগরিক তৈরির জন্য যে পরিকল্পনা (শিক্ষাক্রম)
তা বাস্তবায়নের জন্য প্রধান কারিগর হচ্ছেন শিক্ষক সুতরাং শিক্ষক উন্নয়নে সর্বোচ্চ
বিনিয়োগের বিকল্প নেই। তবে সমন্বিত এ পরিকল্পনায় যে সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ অন্তর্ভূক্ত
করা যেতে পারে, তা হচ্ছে :
বিদ্যমান শিক্ষকদের জন্য ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়ন প্রশিক্ষণ
শিক্ষকদের জন্য একাডেমিক (গবেষণা,
বৃত্তি ইত্যাদি), আর্থিক (বেতন কাঠামো, ইনক্রিমেন্ট ইত্যাদি), প্রশাসনিক (পদোন্নতি,
পদসোপান ইত্যাদি) এবং সামাজিক প্রণোদনা (পুরস্কার, পদক ইত্যাদি)
শিক্ষক প্রণোদনার সঙ্গে সমন্বিতভাবে জবাবদিহির ব্যবস্থা
শিক্ষাবিজ্ঞান, বিষয় ও আন্তঃবিষয়ভিত্তিক উচ্চতর প্রশিক্ষণ
শিক্ষা প্রযুক্তি বিষয়ক প্ৰশিক্ষণ
প্রশিক্ষণ, গবেষণাসহ সকল ক্ষেত্রে আধুনিক অবকাঠামোগত সুযোগ সৃষ্টি
প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থায়ও
গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিমার্জন, পরিবর্তন বা সংস্কার জরুরি। নিচে তেমনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ
বিষয় উপস্থাপন করা হলো ।
শিক্ষাক্রম রূপরেখা অনুযায়ী প্রণীতব্য শিক্ষাক্রমের সফল বাস্তবায়নে-
শিক্ষাক্রমের ধারণায়ন, কৌশল, পদ্ধতি ও বিষয়বস্তুর সাথে শিক্ষক প্রশিক্ষণ
শিক্ষাক্রমের সমন্বয় করা প্রয়োজন ।
সমন্বিত ও ধারাবাহিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ আয়োজন করা জরুরি। তাছাড়াও শিক্ষকদের
প্রাক-চাকুরী যোগ্যতা ও দক্ষতা নির্ধারণ, মানদণ্ড তৈরির মাধ্যমে সুস্পষ্ট লক্ষ্য অর্জনে
প্রশিক্ষণ এবং কৌশল নির্ধারণ করে শিক্ষকদের ধারাবাহিকভাবে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুগোপযোগী
করে তোলা প্রয়োজন ।
শিক্ষা প্রশাসক ও ব্যবস্থাপকদের জন্যও শিক্ষাক্রমের ধারণায়ন, কৌশল, পদ্ধতি
ও বিষয়বস্তুর উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা প্রয়োজন যেন তারা বিদ্যালয়কে কার্যকর সহায়তা
দিতে পারে। তাছাড়া পরিকল্পিতভাবে যথাযথ একাডেমিক উদ্যোগ এবং ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের
মাধ্যমে স্থায়ী শিক্ষা প্রশাসন তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন ।
কার্যকর মনিটরিং ও মেন্টরিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় ডিজিটালাইজেশনের
মাধ্যমে একটি বিশ্বস্ত, গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা তৈরি করা প্রয়োজন ।
ব্যক্তি নিরপেক্ষ/নৈর্ব্যক্তিক শিখনকালীন মূল্যায়ন কাঠামো ও ব্যবস্থা প্রণয়ন
ও বাস্তবায়ন করা জরুরি। এক্ষেত্রে শিক্ষকের ক্ষমতায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে
ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে একটি বিশ্বস্ত, গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা তৈরি করা প্রয়োজন।
শিক্ষাক্রমের দর্শন, ধারণায়ন, কৌশল, পদ্ধতি ও বিষয়বস্তুর সাথে উচ্চশিক্ষা
ও এ সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা এবং প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে সমন্বয় করা প্রয়োজন, যেমন ভর্তি
প্রক্রিয়া, বিষয়, শিক্ষাক্রম, আন্তঃবিষয়ক ব্যবস্থাপনা ও সংযোগ ইত্যাদি ।
শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ছাড়াও বাস্তবায়নে এনসিটিবির ভূমিকা সুনির্দিষ্ট করা
প্রয়োজন, যেন শিক্ষাক্রমের কার্যকর
বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায় । এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গবেষণা থেকে প্রাপ্ত
ফলাফলের ভিত্তিতে প্ৰয়োজনীয় পরিমার্জন, পরিবর্ধন, পরিবর্তনের জন্য অপেক্ষা না করে
যাতে প্রতিনিয়ত এ কাজ চলমান রাখা যায় ৷ শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন মনিটরিং, মূল্যায়ন,
গবেষণা ও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমার্জন একুশ শতকের শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ
কার্যক্রম যার জন্য পেশাদার, দক্ষ বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন ।
বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানসমূহ নিয়ে বাস্তবায়নের সময়াবদ্ধ
মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তার সমন্বিত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে
সঠিক ও সতর্কতার সঙ্গে কারিগরি ধাপসমূহ অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে সমন্বিত
পরিকল্পনার মাধ্যমে না করলে কার্যকর ফলাফল প্রাপ্তির চেয়ে বাস্তবায়ন দূর্যোগের সম্ভাবনা
বেশি থাকে এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হয় না ।
শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকসহ সকল অংশীজনের সক্রিয় সমর্থন ও অংশগ্রহণের
জন্য সমন্বিত গণযোগাযোগ কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ
বাস্তবায়ন বাধা সহজেই দূরীভূত করে ফলে কার্যকর ফলাফল দ্রুত অর্জন করা যায়।
শিক্ষাক্রম রূপরেখা অনুযায়ী শিক্ষাক্রমের সফল বাস্তবায়নে অনেক ক্ষেত্রে
বিদ্যমান নীতি নির্দেশনার পরিমার্জন যেমন প্রয়োজন হতে পারে তেমনি নতুন নির্দেশনারও
প্রয়োজন হবে। প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অর্থায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে নীতি নির্দেশনার সুযোগ
রেখে প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নিতে এ ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ
বিষয় উপস্থাপিত হলো :
শিক্ষাক্রম রূপরেখায় বর্ণিত পরিবর্তন ও পরিমার্জনসমূহ শিক্ষাব্যবস্থাসহ
সকল পর্যায়ের অংশীজনের যথাযথভাবে অনুধাবন, প্রযোজ্য স্থানে প্রতিফলন ও বাস্তবায়নের
জন্য প্রয়োজনীয় নীতি-নির্দেশনা, কৌশল, পরিকল্পনা ও অর্থায়ন
শিক্ষাব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, দক্ষতা, ক্ষমতায়ন ও অর্থায়নের
উদ্যোগ
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত অংশীজনদের সমন্বিত পরিবীক্ষণ
ও মূল্যায়ন ব্যবস্থার মধ্যে সম্পৃক্তকরণ যেন পুরো ব্যবস্থার পারদর্শিতা সার্বক্ষণিক
পরিবীক্ষণ করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
শিক্ষায় টেকনোলজির ব্যবহার এবং তার সহজ প্রাপ্তি ও ব্যবহারে প্রয়োজনীয়
নীতি নির্দেশনা প্রণয়ন।
অতএব এ কথা বলা যায় যে জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ২০২১ ও জাতীয় শিক্ষাক্রম বিস্তরণ ২০২২ প্রশিক্ষনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো এই নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রমকে সঠিকভাবে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।