facebook

বেদনা

 




বেদনা

♦♦ বেদনা  বৃদ্ধি পায়ঃ

বেদনা  বৃদ্ধি  বিশ্রামেঃ কলোসিন্থ।

বেদনা  বৃদ্ধি  গোলমালেঃ কফিয়া।

বেদনা  বৃদ্ধি  প্রতিদিন একসময়েঃ সিড্রন, ক্যালি বাইক্রম

বেদনা  বৃদ্ধি   সূর্যোদয়েঃ স্পাইজেলিয়া, ক্যালমিয়া। (রাত্রিতে শুইলে, শীঘ্র শীঘ্র বাড়ে / বেলেডোনা)

বেদনা  বৃদ্ধি  চাপেঃ ক্যাল্কেরিয়া ফস।

বেদনা  বৃদ্ধি  ঠাণ্ডায়ঃ ম্যাগনেসিয়াম কার্ব্ব।

বেদনা  বৃদ্ধি  বর্ষায়, ঠাণ্ডা বাতাসেঃ স্পাইজেলিয়া।

বেদনা  বৃদ্ধি   দাঁড়াইলে ও বসিলেঃ গুয়েকাম।

বেদনা  বৃদ্ধি   ধীরে বাড়েঃ এসিড সলফ, প্লাটিনাম।

বেদনা  বৃদ্ধি   নড়াচড়ায়ঃ রডোডেণ্ড্রন, ব্রায়োনিয়া।

বেদনা  বৃদ্ধি  কথা কহিলে ও আহারেঃ ফসফরাস।

বেদনার উপশমঃ

বেদনা উপশম  গরমেঃ ম্যাগনেশিয়া ফস (চাপে), আর্সেনিক, ক্যামোমিলা, চায়না, সাইলিসিয়া।

বেদনা উপশম   চাপেঃ সাইলিসিয়া, কলোসিন্থ, গুয়েকাম (চলিয়া বেড়াইলে)।

বেদনা উপশম নড়াচড়ায়ঃ ম্যাগনেশিয়াম-কার্ব্ব (খোলা বাতাসে)।

বেদনা উপশম সর্দ্দিস্রাবেঃ ক্যালিকার্ব্ব।

বেদনা উপশম সূর্যাস্তের সঙ্গেঃ স্পাইজেলিয়া, ক্যালমিয়া।

বেদনা উপশম স্থির হয়ে থাকলেঃ চায়না।

বেদনা উপশম খোলা বাতাসেঃ ক্যালি-ফস।

বেদনা উপশম ঠাণ্ডায়ঃ কফিয়া, ক্যামোমিলা।                    ---------০--------

 

বিভিন্ন ঔষধের বেদনার চরিত্র কি ধরনের হয়ঃ

বেদনার চরিত্রঔষধের নাম
হুল ফোটানোএপিস
ছুঁচ ফোটানোব্রায়োনিয়া, ক্যালি-কার্ব্ব, এসক্লিপয়াস।
কামড়ানিরাসটক্স
কামড়ানি, মোচড়ানি, খেঁচুনি ব্যথাকলোসিন্থ।
টেনে খেঁচেধরাকষ্টিকাম
টেনেধরা, পেঁচেধরা, হুলফোটানো, ছিঁড়েফেলা, চিড়িকমারাম্যাগনেশিয়াম ফস
পাঁজরায়র‍্যানানকিউ
গাঁয়ে টাটানি বেদনাআর্নিকা মন্ট, ব্যাপটসিয়া, চায়না, রুটা, রাসটক্স, ফাইটালক্কা।
বেদনা হটাৎ আসে, হঠাৎ যায়বেলেডোনা, কলোসিন্থ, ক্যালি-বাইক্রম, ক্যালমিয়া।
অতি অল্পস্থানে তীক্ষ্ম বেদনা, ঘন ঘন যায়এসিড অকজ্যালিক।
ধীরে ধীরে আসে, ধীরে যায়ষ্ট্যানম, প্ল্যাটিনা।
অসহ্য বেদনাএকোনাইট, ক্যামোমিলা, কফিয়া।
ক্রিমিশূল বেদনাফিলিক্স মাস।
ক্রিমিজনিত বা অন্য কোনও প্রকার কামড়ানি, খামচানি বেদনাকলোসিন্থ।
কোণাকুণিএগারিকাস।
চলিয়া বেড়াইলে উপশমফেরম ফস।
ঘাড়ে বেদনাএনাকার্ডিয়াম ওরিয়েন্ট।
পায়ের তলায়এন্টিম-ক্রুড, ম্যাঙ্গেনাম।
গোড়ালীতেএন্টিম-ক্রুড, ম্যাঙ্গেনাম, ফাইটোলক্কা, সাইক্ল্যামেন, লিডম, কষ্টিকাম।
স্নায়ুশূল বেদনাএকটিয়া রেসিমোসা, ক্যালমিয়া।
স্কন্ধসন্ধির ও বাহুর উর্দ্ধভাগের বেদনায়ক্যালি-মিউরিটিকাম, সিফিলিনাম, ফাইটোলক্কা।

--------------------০-------------------

বেদনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ঔষধের ব্যবহারঃ

এ,আঃ

১। এপোসাইনাম এণ্ড্রোসিঃ পায়ের আঙ্গুলে ও তলায় ভীষণ বেদনা। পা ফোলে, পায়ের তলায় ঝিনঝিনে ধরা, পিন ফোটানো বা খেঁচে ধরার মত বেদনা।

২। এন্টিম-ক্রুডঃ পায়ের তলায় ও গোড়ালীতে বেদনা,টিপিলে ততো ব্যাথা লাগে না। কিন্তু চলার সময় ভীষণ বেদনা, পায়ে কড়া। পায়ের অন্যান্য বেদনার জন্য ইহা উপকারি।

৩। এসিট্যানিলিডিয়ামঃ পায়ের গোড়ালীর গাঁটে ও পায়ের তলায় ফোস্কা।

৪। এব্রোটেনামঃ হাতের, মনীবন্ধের ও পায়ের গোড়ালীর গাঁটের প্রদাহ ও বেদনা।

৫। আর্স-সলফ-ফ্লেভমঃ সায়েটিকা ও হাঁটুর চারিদিকে ফোলা।

৬। আর্জেন্ট-মেটালিকামঃ বেদনা ধীরে ধীরে ও চরম সীমায় উঠে, হঠাৎ কমে, গলার ভিতর ঘায়ের মত বেদনা, কাশির সময় বেদনা।

৭। একোনাইটঃ পৃষ্ঠদেশে বেদনা, নিশ্বাস গ্রহণের সময় বেদনা।

৮। এমন-মিউরিয়েটিকামঃ মেরুপুচ্ছে থেৎলানি বেদনা, বসিতে পারেনা।

৯। এমন-পিক্রেটামঃ অক্সিপিটাল, গঘাড়ে ফোলা ( ডানদিকে অধিক )।

১০। এনাকার্ডিয়ামঃ সবিরাম আক্ষেপিক বেদনা, পায়ের গোড়ালী থেকে পায়ের গোছে পরিচালিত হয়।

১১।এসিড-ফ্লোরিকঃ ডান কাঁধের বেদনা আঙুলে পর্যন্ত পরিচালিত হয়। বাম তর্জ্জনী ও আঙুলের বেদনা, প্রদাহ।

১২। এপিসমেলঃ সিরাস ক্যাভিটিতে রস জমা, হুলফোটানো বেদনা।।

১৩। এগারিকাসঃ বেদনা কোণাকুণি পরিচালিত হয়।

১৪। এসিড-নাইট্রিকঃ বেদনা হঠাৎ আসে ও হঠাৎ যায়, একবার এখানে একবার সেখানে বেদনা।

** এজাডিরেষ্টাঃ জ্বরসহ নানাস্থানে- ষ্টার্ণমে, পাঁজরায়, ঘাড়ে, পিঠে, কাঁধে বেদনা।

১৫। এম্পিলপসিসঃ বাম পাঁজরার কষ্টাল প্রদেশে স্পর্শকাতরতা তীক্ষ্ম বেদনা, কনুইয়ের হাড়ে, পিঠে এবং সমস্ত অঙ্গে বেদনা।

ইঃ

১। ইউজিনিয়াঃ রাত্রিতে পায়ের তলায় ও পায়ে ভীষণ খিল ধরা বেদনা।

২। ইনিউলাঃ ষ্টার্ণমের নিচে ছুঁচফোটানো বেদনা, পায়ের তলায় গোড়ালীতে, বাম হাতে, ডান কাঁধে, কব্জীতে বেদনা, আঙুল মুড়তে পারে না।

৩। ইকথিওলামঃ পেটের বামদিকে ও নাভির গোড়ায় কামড়ানি বেদনা।

৪। ইনডিয়মঃ ঘাড় ও কাঁধ আড়ষ্ট, বাম হাতে বেদনা।

৫। ইলিসিয়মঃ বুকের তৃতীয় পাঁজরার স্থানে, ষ্টার্ণমের ১/২ ইঞ্চি ডানদিকে কখনও বামদিকে বেদনা হয় তার সাথে অনবরত কাশি, ষ্টার্ণমের স্থানে ছুঁচফোটানো বেদনা।

** ইউপফর্ব্বিয়াঃ উরুসন্ধিতে, মেরুপুচ্ছের ও হাড়ে জ্বালাজনক বেদনা, ক্যান্সার।

ক  ও গঃ

১। ক্যানাবিস-স্যাটাইভাঃ আঙুল মচকে যাওয়ার পর আঙুল খেঁচে থাকা।

২। ক্রমিক-এসিডঃ কাঁধে, পিঠে, ঘাড়ে, হাঁটুতে ও পায়ের তলায় বেদনা।

৩। কটিলিডনঃ বুক থেকে কাঁধ, কাঁধ থেকে বাম বুকে ও বাম স্তনের নীচে এবং ডান বুকে বেদনা।

৪। ক্যালি-সিয়ানেটামঃ সম্মুখ কপালে, চক্ষুতে, মাঢ়ীর হাড়ে তীব্র বেদনা,বেদনা প্রত্যহ এক সময়ে হয়। রোগী কাঁদে।

৫। কর্ণাস-ফ্লোরিডাঃ নিউর‍্যালজিক বেদনা, শুধু টিপে দিতে বলে, বুকের ও অন্যান্য স্থানের বেদনায় মনে করে যেনো হাড় ভেঙে গেছে।

৬। কফিয়াঃ প্রদাহজনিত মানসিক উত্তেজনা অ বেদনা, ছটফট করে, কাঁদে।

৭। ক্যালি-কার্ব্বঃ নড়াচড়ায় বৃদ্ধি না হয়ে স্থির থাকলেও ছুঁচফোটানো বেদনা।

৮। ক্যাল্কেরিয়া-কষ্টিঃ পিঠে , পায়ের গোড়ালীতে, মাঢ়ীতে, গণ্ডাস্থিতে বেদনা।

৯। ক্যালি-হাইড্রোঃ হাড়ে চিবান বা বেঁধা-ফোড়ার মত বেদনা নাকে ও মুখে, কপালের হাড়ে দপদপানি ব্যথা।

১০। কুপ্রম-এসেটঃ পাকস্থলীতে ও তলপেটে ভীষণ আক্ষেপিক বেদনা, বাম কপালে ভীষণ বেদনা।

১১। গলথেরিয়াঃ পাকাশয়-শূল বেদনা, নিম্নোদরে তীব্র বেদনা, অদম্য বমি।

১২। গুয়েরিয়াঃ মেরুদণ্ড শক্ত, কোমর টেনে খেঁচে রাখে, স্যাক্রমে বেদনা।

১৩। গুয়্যাকোঃ ডেলটয়েড -পেশী, কাঁধ, কনুই, আঙুল, গোড়ালী ও পায়ের তলার বেদনা, মেরুদণ্ডে ইরিটেসন।

  • ফেলটারিঃ ঘাড়ে বেদনা।
  • ব্যাডিয়াগাঃ শরীরের সমস্ত পেশীতে ও চর্ম্মে আঘাত লাগার মত বেদনা। স্থান পরিবর্তনশীল বেদনা।
  • ল্যাক-ক্যানাইনামঃ বেদনা আড়াআড়িভাবে পরিচালিত হয়।
  • ল্যাকেসিসঃ পেটের ব্যতথা আহারের পর নিবৃত্তি হয়। কিন্তু ক্ষণকাল পরে বাড়ে।
  • লাইকোপডিয়ামঃ ৭ম পঞ্জরের স্থানে বেদনা, উপরে বক্ষে যায়।
  • রাসটক্সঃ গায়ে বেদনা- তা যেকোনো কারনেই হোক প্রথম নড়ার সময় বেদনা, নড়াচড়ার পর উপশম।
  • ফাইটোলক্কাঃ সমস্ত শরীরে টাটানি ব্যতথা, তারজন্য নড়তে চড়তে পারে না।
  • রুটাঃ যে পাশে শয়ন করে সে পাশে থেৎলানি ব্যথা।
  • আর্নিকাঃ আঘাত জনিত বেদনা এবং টাইফয়েড জ্বরে রোগী যাহাতেই শয়ন করে শক্ত বলে বোধ হয়।
  • ব্যাপটিসিয়াঃ নরম বিছানায় শয়ন করলেও শরীর ব্যথা বোধ করে।
  • চায়নাঃ হাড়, পেরিয়ষ্টিয়ম, গাঁট ও চুল পর্যন্ত স্পর্শকাতরতা বেদনা।

 

  • ব্যথা, হঠাৎ আসে হঠাৎ যায়ঃ আর্জেন্টাম নাইট, ক্যান্থারিস, ইগ্নেশিয়া, কেলি বাইক্রম, ক্যালমিয়া, ইউপেটো-পার্ফো, ম্যাগনেসশিয়া-ফস, নাইট্রিক এসিড, ফাইটোলক্কা, স্যাবাইনা, স্পাইজেলিয়া।
  • ব্যথা, ধীরে ধীরে আসে ধীরে ধীরে যায়ঃ ক্যালমিয়া, নেট্রাম মিউর, ফসফরাস, প্ল্যাটিনা, স্পাইজেলিয়া, ষ্ট্যানাম, সালফ-এসিড।
  • ব্যথা, ধীরে ধীরে আসে হঠাৎ চলে যায়ঃ আর্জেন্টাম মেট, পালসেটিলা, সালফ-এসিড।
  • ব্যথা, হঠাৎ আসে ধীরে ধীরে যায়ঃ পালসেটিলা।
  • ব্যথা, চেপে ধরলে উপশমঃ কলোসিন্থ, ম্যাগনেসশিয়া-ফস, প্লাম্বাম, পডোফাইলাম, ষ্ট্যানাম।
  • ব্যথা, উত্তাপ প্রয়োগে উপশমঃ আর্সেনিক, ব্রাইয়োনিয়া, কষ্টিকাম, কলচিকাম, কলোসিন্থ, গ্রফাইটিস, হিপার সালফার, কেলি বাই, কেলি কার্ব, লাইকোপোডিয়াম, ম্যাগ-ফস, নাক্সভমিকা, এসিড ফস, রাস টক্স, সাইলেসিয়া, সালফার।
  • ব্যথা, উত্তাপ প্রয়োগে বৃদ্ধিঃ এপিস, ল্যাক্যানাইনাম, ক্যানাবিস ইন্ডিকা, লাইকোপোডিয়াম, ল্যাকেসিস, লিডাম, ব্রাইয়োনিয়া, পালসেটিলা, সিকেলিকর, সালফার, থুজা, ফ্লুওরিজ এসিড।
  • ব্যথা, নড়িলে চড়িলে বৃদ্ধিঃ একোনাইট, ইস্কুইলাসহিপ, অ্যান্টিমটার্ট, আর্নিকা, আর্সেনিক, ব্রাইয়োনিয়া, ক্যাপ্সিকাম, কলোসিন্থ, জেলসিমিয়াম, গ্লোনইন, ক্যালমিয়া, ল্যাকেসিস, লিডাম, মার্কুরিয়াস সালফ, মেজরিনাম, ফসফরাস, পালসেটিলা, রিউম, স্যাবাইনা, স্যাঙ্গুইনেরিয়া, সার্সাপেরিলা, স্পাইজেলিয়া, ষ্ট্যানাম।
  • রাস টক্স নড়ার প্রথম মুখে ব্যথা পায়।
  • ব্যথা, নড়িলে চড়িলে উপশমঃ অ্যাগারিকাস, আর্সেনিক, অরাম মেট, ক্যাপ্সিকাম, চায়না, কোনিয়াম, ডালকামরা, ফেরাম, কেলি-বাই, লাইকোপোডিয়াম, ম্যাগ-মিউর, ফস-এসিড, পালসেটিলা, রাস টক্স, স্যাবাডিলা, সিপিয়া, সালফার, টিউবারকুলিন, রেডিয়াম।
  • ব্যাথার সাথে পিপাসাঃ ক্যামোমিলা, টিউবারকুলিনাম।
  • ব্যাথার সাথে মল ও মূত্রত্যাগের ইচ্ছাঃ নাক্স ভমিকা।
  • ব্যাথার সাথে ঘর্মঃ মার্কুরিয়াস সালফ, ল্যাকেসিস।
  • ব্যাথার সাথে বমনেচ্ছাঃ আর্সেনিক,ইপিকাক, চেলিডোনিয়াম, স্পাইজেলিয়া।
  • ব্যথা, জ্বালাকরঃ অ্যানথ্রাক্স, এপিসমেল, আর্সেনিক, আইরিস, অ্যারাম-ট্রি, ব্রাইয়োনিয়া, বার্বারিস, কার্বো-ভেজ, কষ্টিকাম, কোনিয়াম, ল্যাকেসিস, নাক্স ভমিকা, কেলি বাই, মার্কুরিয়াস সালফ, ক্যান্থারিস, নেট্রাম-মিউর, ফসফরাস, রাস টক্স, নাইট-এসিড, পালসেটিলা, মেজি, গ্রাফাইটিস, র‍্যাটেনহিয়া, সিকেলকর, সাইলিসিয়া, সালফার, সিপিয়া, ষ্টানাম, ট্যারেনটুলা, টেরিবিন্থ।
  • কাঁটাফোটার মতঃ ইস্কুইলাসহিপ, এগারিকাস, আর্জেন্টাম-নাইট, হিপার সালফার, সাইলিসিয়া।
  • ব্যাথা ঘুরিয়া বেড়ায়ঃ আর্নিকা, ক্যাল্কেরিয়া ফস, চায়না, কার্বো-ভেজ, কষ্টিকাম,কলচিকাম, কেলি বাই, লিডাম, ল্যাক-ক্যানাইনাম, ফাইটোলক্কা, প্লাম্বাম, পালসেটিলা, টিউবারকুলিনাম, রেডিয়াম।
  • বেলেডোনার পুরাতন ক্ষেত্রে ক্যাল্কেরিয়া কার্ব।

-----------------০--------------

তথ্যঃ সংগৃহীত।

No comments:

Post a Comment

ভিটামিন এ এর অভাবঃ রোগ ও প্রভাবঃ

  ভিটামিন 'এ' সমৃদ্ধ খাবার ভিটামিন এ এর অভাবঃ রোগ ও প্রভাবঃ ভিটামিন এ মানব দেহের জন্য অপরিহার্য একটি পুষ্টি উপাদান। এটি দৃষ্টিশক্তি,...